তোমার-আমার সালতামামি রকিবুল ইসলাম বাতাসে ভাসিয়া আসিল একটা খবর, গুণগুণ করিয়া কে যেন কহিতেছে, নতুন সাথী খুঁজিতেছ তুমি। অদম্য মনোবলে তব বোধকরি চিড় ধরিয়াছে! তোমার জন্য অপেক্ষমান শেষ ট্রেনটিও কি
হেমন্তের আগমনে মহসিন আলম মুহিন টিনের চালে টাপুর টুপুর শিশির পরে মিষ্টি মধুর, নদীর বুকেও শান্ত সুর মিষ্টি রোদে স্নিগ্ধ দুপুর। কাননগুলো ফুলে ভরে নীহার ঝরে তারই পড়ে, আশা জাগে
আমার বাংলা মুহাম্মাদ কাওসায়েন রেজা রেজভী আমার বাংলা আমার স্বাধীনতা, আমরা বাংলার জনতা, বাংলার মাটি আমার মাটি, আমি বাংলাকে ভালোবাসি, আমি বাংলায় জন্মগ্রহণ করি, আমি বাংলায় গর্জন করি, আমার বাংলায়
মানচিত্র আর পতাকা বুকে নিয়ে কবির সুমন বাহান্ন কি ছেলে খেলা ছিলো? রক্তগঙ্গায় সহজ সরল মুখের বুলি হাসি খেলি, আড্ডায় বক্তৃতায় এখন দুলি। মার্চ তো বোকামি নয়, উত্তরসূরী জানে প্রকাশ্যে,
পরম গুরু শিক্ষক মোঃ এখলাছুর রহমান শিক্ষক হলো পরম গুরু মা-বাবার পর স্থান, অমানুষদের মানুষ করতে দিয়ে যাচ্ছেন জ্ঞান। শিক্ষকেরা ছাত্রদেরকে নৈতিক শিক্ষা দেয়, বিনিময়ে তারা শুধু সম্মান শ্রদ্ধা নেয়।
আলুরে তুই এতো ভালো মো: গোলাম রসুল আলুরে তুই এতো ভালো সব্জীর রাজা তুই ধনী গরীব সবার ক্ষেতে উজ্জ্বল করো ভুঁই। আলু ছাড়া হয়না রান্না গোস্ত সব্জী মাছ তাইতো তুমি
শরতের রূপ মোঃ সেলিম হোসেন ষড়ঋতু ঘুরিতেছে, আসিয়াছে তাই ঋতুর রানী শরৎ; আমাদের দেশে রূপ রঙ সাথে নিয়ে, বিজয়ীর বেশে; আকাশ মাটি কোথাও শূন্য কিছু নাই। বিলের জলে শাপলা, দোলা
পথহারা মোঃ আবু সুফিয়ান পথহারা আমি পথ খুঁজি করি পথের সন্ধান, ঘুরতে ফিরতে বাঁধা দেয় খান্নাস ঐ শয়তান! মানুষরূপী অমানুষরা ঘুরছে যে চতুর্দিক, নিজেকে নিজে ধোঁকা দিচ্ছি রাখতে পারিনি ঠিক।
জনম দুঃখী মা নাজমুন নাহার খান মাগো আমার মা তোমার নেইগো তুলনা। জনম দুঃখী মা আমার কপাল পোড়া মা আমায় জন্ম দিতে গিয়ে সয়েছিলে চোখ ভিজিয়ে কত যন্ত্রনা, মাগো আমার
জীবনের অবসান! রকিবুল ইসলাম। আমি চেয়েছি হতে নিরুদ্দেশ,নিতে চেয়েছি ছুটি। চেয়েছি পালাতে জীবন থেকে, চেয়েছি অনন্তর-নিরন্তর মুক্তি। মিশতে চেয়েছি আকাশ-জমির মিলনস্থলে,ডুবতে চেয়েছি সাগর-নদীর মোহনায়। মিলিত হতে চেয়েছি ভূ-ত্বকের ধূলিকণায়,হারাতে চেয়েছি