পাঠক প্রিয়তার শীর্ষে কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ রচিত ”কেউ খোঁজ রাখে না ” উপন্যাসের বইটি। নিজস্ব প্রতিবেদক : কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ রচিত ”কেউ খোঁজ রাখে না ”
শবে বরাত আব্দুস সাত্তার সুমন শবে বরাত আসলে কি পটকাবাজি পোড়ানো? বেদাতের জরাজীর্ণ অজ্ঞতাদের গড়ানো! হালুয়া, রুটির ভক্ষণ মাজার পূজারীর ধান্দা, অসৎকর্মে মগ্ন সবে তারাই নেক্কার বান্দা। যে কোনো সময়
শ ম দেলোয়ার জাহান -এর “স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা” একক কবিতাগুলো হৃদয় ছোঁয়া কাব্যিক সুন্দর ও সার্থক মনে হয়। শ ম দেলোয়ার জাহান সাহিত্য জগতের নতুন কোন মুখ নয়। সু-পরিচিত মুখ। “স্বপ্ন
কেউ অপেক্ষায় থাকে না হাসান জামান আমি ঘর থেকে পা বাড়ালেই তোমার দু’চোখ ছলছল করে ওঠে! সকল হাসি ফুরিয়ে যায় নিমিষে! আচমকা ঘরে নেমে আসে একরাশ নিস্তব্ধতা ! আমি দিব্যি
টোপ আব্দুস সাত্তার সুমন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বাংলাদেশ সাথে দিছে বাঁশ খাও কুচি ঘাস। সঙ্গে সাদা মুলা জ্বালায় অগ্নি চুলা। লক্ষ টাকা যার কলকাঠি তার। কর্ণধার কি জানে আছে বিদেশ পানে!
একটি কফিনের খোঁজে হাসান জামান আমার পায়ের নীচে শুয়ে আছে অভুক্ত কবর কখন সে ডেকে নেবে রাখিনি খবর জন্ম থেকে হামাগুড়ি দেই সে স্বপ্নঘর আলোকিত কিনা বিষন্নতায় ভরা নীল খামে
কথা হবে হয়তো হবেনা হাসান জামান কথা হবে! হয়তো হবে না। এখন একটি রাতও কাটে না। অথচ একটি বছর শেষ হয়ে যায়। প্রবাসে দীর্ঘশ্বাসে হেমন্তের সবুজ পাতা বিবর্ণ হলো হিম
পুরুষের চোখ জলহীন নদী হাসান জামান রাত নামলেই নক্ষত্র হয়ে ওঠে আমার দুচোখ পাহারা দেয় অন্তহীন মৌন আকাশ, স্বপ্ন বিলাসী মনে কষ্টের মেঘ মরিচীকা পুরুষ মানুষ সব পারে শুধু কাঁদতে
এস এম আলাউদ্দিনের গীতিকবিতা “বাংলা আমার প্রাণ” বাংলা আমার মায়ের ভাষা বাংলা আমার প্রাণ ভিনদেশ ভাষায় যায় না পাওয়া এমন মধুর ঘ্রাণ। ফুলে ফলে পরিপূর্ণ রূপের নাই তার শেষ মায়া
মিজানুর রহমানের ছড়া-কবিতা “খেজুরের রস” শ্যামল গাঁয়ের মানুষ আমি গাঁওয়ের কোণে বাস শীতের মৌসুম আসলে করি খেজুর রসের চাষ। আঁকাবাঁকা সড়ক জুড়ে খেজুর গাছের সারি খেলে সবার প্রাণজুড়াবে গাছির পাড়া