
না আর কোন ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়।
পাপীদের প্রাপ্য ফিরিয়ে দিতেই হবে।
ফিরিয়ে দিতে হবে কড়ায় গন্ডায় হিসেব নিকেশ।
নিতে হবে সকল খুনের দায় ভার
আফিমে নিমজ্জিত জীবন নয় আর!
প্রায়শ্চিত্ত ওদের হতেই হবে।
যারা আমার সন্তানের রক্তে করেছে স্নান
জননীর কোল করেছে শুন্য
স্নেহের আঁচল ছিন্ন করে নিয়ে গেছে ছোট্ট শিশুকে পুঁতে দিয়েছে খানা খন্দকে
বাবার দুচোখ অন্ধ করেছে আসমান থেকে
বুলেটে ঝাঁজরা করেছে ইয়ামিনের বুক
ওদের জন্য কোন উদারতা নেই
অনুকম্পা নেই কৃষক পাড়ায়! নেই স্নেহ শ্রমিকের ঠোঁটে
বর্নচোরা সুশীল সমাজ যারা বুদ্ধি বিক্রি করে
সুদীর্ঘ সতেরো বছর আলু পুড়িয়ে খেয়েছো অন্যের ঘরে
এখনো যারা ময়ুখের মতো পুচ্ছ নাড়িয়ে
টকশোতে মলম বিক্রি করো
অথবা নৃশংস হত্যাযজ্ঞের কাহিনিকে বেমালুম
ভুলিয়ে দিতে চাও! ৫ই আগস্ট বিপ্লব তারুণ্য বিজয়
না-কি প্রজন্মের ফ্যান্টাসী বলে ভ্রুকুঁচকাও
ওরা মুরগী কবির অন্ধকারের হুতুম পেঁচা!
ওদের গোনার টাইম আমাদের নাই
বাস্তিল দূর্গের মতো আমরাও গুড়িয়ে দিতে পারি
ফ্যাসিস্টের আঁতুড় ঘর!
আমরাও পারি মুখোশধারী মির্জা জাফরের
গ্রাফিতি দেয়ালে দেয়ালে আঁকতে
আঁধার পেরিয়ে আগামী সকালের আগেই
পারি স্বৈরাচারের নাম নিশানা মুছে ফেলতে!
দেখো রক্তের দাগ শুকায়নি এখনো রাজপথে
অলিতে গলিতে। দেখো এখনো শেষ হয়নি যুদ্ধ।
শত শহীদের মায়ের কান্না ভুলে
শেয়ালরা সিংহাসন বাটোয়ারায় মত্ত।
অথচ এখনো সহস্র জীবন্ত লাশ ঘরে ঘরে
সুতরাং রক্তাত্ত এ মিছিল থামবে না
শত চোখ রাঙানিতেও বিশ্রাম নিবে না।
হে চির তারুণ্য
তোমরা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে।
বাংলার লেডি ফেরাউন কে যারা আংগুলে গুনেনি
শোনেননি আধিপত্যবাদের হুংকার
কাঁটাতারের ভয় দেখিয়ে তাদের লাভ নেই।
আমরা সেই বখতিয়ারের অশ্বারোহী যার খুরের
আওয়াজে লক্ষ্মণ সেন পালিয়ে যায় পেছনের খিড়কি খুলে! ভেসে যায় গঙার প্রলয়ংকারী বন্যায়!
ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা আস্ফালন করো না।
না আর কোন ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়!
পাপীদের প্রায়শ্চিত্ত পেতেই হবে
দুঃশাসনের কালো রাত্রি মুছে
যে তারুন্য উঠেছে জেগে আগামী পৃথিবীর জন্য
যারা লড়তে জানে মরতে জানে
শুধু পরাজয় মানে না।
ওরা আর ঘুমাবে না।

Leave a Reply