
অল্প সময়ের মধ্যে সাহিত্য জগতে সুপরিচিত হয়ে ওঠা এক নাম মনজুর মোরশেদ। মনজুর মোরশেদ ধান-নদী-খালের বরিশালের মানুষ। নদীর সাথে তার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। বাংলাদেশের অপার নৈসর্গিক সৌন্দর্যে তার প্রাত্যহিক অবগাহন। তার লেখার মধ্যেও উঠে আসে এক সুন্দর বাংলাদেশ।আসে দেশ-জাতি, মানবতা তথা মজলুমের কথা। অনেক লড়াই-সংগ্রাম আর রক্তক্ষয় ও লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন বা়ংলাদেশ নিয়ে তার স্বপ্নটাও তাই নদীর মতোই অবারিত।
কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করলেও স্বাধীনতার সুফল থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছে বারংবার। স্বাধীনতার আলো বারবার নির্বাপিত হয় আর আলোকিত জীবনের দাবিতে আন্দোলনে নামতে হয়। যার জ্বলন্ত প্রমাণ চব্বিশের ছাত্র-গণ অভ্যুত্থান। তারই ধারাবাহিকতায় মনজুর মোরশেদের জবাব চাই বইয়ের লেখাগুলোও সেই উপজীব্যকেই ধারণ করে।
মনজুর মোরশেদের জম্ম ১৯৮৬ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর,পটুয়াখালী জেলা সদরের কমলাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ধরান্দী গ্রামে। মনজুর মোরশেদ একাধারে কবি-সাহিত্যিক, ছড়াকার, সংগঠক ও শিশুসাহিত্যিক।কবি কিশোর বয়স থেকেই বিভিন্ন ছড়া-কবিতা, গল্প-প্রবন্ধ, উপন্যাস লেখেন। ইতোমধ্যে তার লেখা বহু ছড়া-কবিতা দেশ-বিদেশের জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়াও কবির প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যৌথভাবে স্বাধীনতা, বাংলার উদীয়মান কবি, কবিতা সঞ্চয়, কাব্য শুধা, শ্রাবণ মেঘের কাব্যমালা,কেউ ভালোবাসেনি সহ ২১ টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। “আলোকিত মানুষ হবো” “জবাব চাই” কবির একক কাব্যগ্রন্থ।
মনজুর মোরশেদ দিশারী সাহিত্য পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, পাক্ষিক দিশারী সাহিত্য সংসদের সম্পাদক ও প্রকাশক, এবং বহুল আলোচিত সাহিত্য ম্যাগাজিন ও অন লাইন নিউজ পোর্টাল স্বতন্ত্র বার্তা পত্রিকার সুনামের সাথে প্রধান সম্পাদক এর দ্বায়িত্ব পাগল করে যাচ্ছেন, বাংলাদেশ মানব কল্যাণ এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব আছেন মনজুর মোরশেদ।
Leave a Reply